Facebook ID Hacking top 5 Method [Learn To Be Aware]


বর্তমানে সবচেয়ে জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া হচ্ছে ফেসবুক । দিন দিন যেমন জনপ্রিয় হচ্ছে তেমনি আবার ভয়ংকরও হচ্ছে। আগের তুলোনায় বেড়েছে হ্যারাজমেন্ট ,  ধর্ম নিয়ে কুটক্তি, আইডি হ্যাক এবং আইডি ডিসেবল এর মতো কাজ। যদিও ফেসবুক কমিউনিটি নিয়মিত সিকিউরিটি আপডেট করছে। এছাড়া তথ্য বিক্রি নিয়ে ফেসবুক এর উপর অভিযোগ তো রয়েছেই। যাই হোক আজ এসব নিয়ে আর মহাভারত রচনা করবো না।  আজকের মেইন অংশ হচ্ছে ফেসবুক আইডি হ্যাক। তাই সরাসরি সেখানেই চলে যাচ্ছি।



FACEBOOK ID HACK

প্রথমে বলে নিই ফেসবুক আইডি হ্যাক হয় না !!! কী একটা ধাক্কা লাগলো ?? জী ভাই এরকম ধাক্কা আমিও খেয়েছিলাম যখন অনেক খুঁজাখুঁজি অনেক ইন্টারনেট গাটাগাটি করার পর জানতে পারি ফেসবুক আইডি হ্যাক হয় না। কিন্তু সুখবর হলো ফেসবুক আইডি এক্সেস নেওয়া যায়। হুম এখন এক্সেস কী? Good Question.

*ACCESS কী ??
কোনো ওয়েব সাইট এর পাসওয়ার্ড রিকোভারি অপশন কে কাজে লাগিয়ে সে সাইটে অনুপ্রবেশ করাকে Access নেওয়া বলে। যেমনঃ কোনো একটি সাইটের এডমিন প্যানেল এ ডুকতে হলে আমাকে সেই সাইট কে এমন কোনো প্রুভ দিতে হবে যা আসল এডমিন এর পরিচয় বহন করে। যেমনঃ এডমিন এর জাতীয় পরিচয় পত্র।

#Hacking কী ??
সিস্টেম বা সার্ভার এর দূর্বল জায়গা খুঁজে বের করে তার মাধ্যমে সিস্টেম বা সার্ভার-এ অনুপ্রবেশ করাকে Hacking বলে।

সব ধরনের এক্সেস নেওয়া-ই একরকম হ্যাকিং তবে , সব হ্যাকিং-ই এক্সেস নেওয়া নয়        

তো যাই হোক এক্সেস কিংবা হ্যাকিং আমাদের একটা আপাতত হলেই হলো। আজকে শুধু মাত্র আইডি এক্সেস নেওয়ার জনপ্রিয় উপায় গুলো সম্পর্কে জানবো। পরে এক এক করে বিস্তারিত আলোচনা করবো আলাদা আলাদা টিউটোরিয়ালে।


#METHOD 1: SPY SOFTWARE
যদি ভিক্টিম আপনার পরিচিত কেউ হয় এবং তার ফোন/ডিভাইস আপনার হাতের কাছেই থাকে তবে এই পদ্ধতি কাজে আসতে পারে। আপনার ভিক্টিম এর ফোনে/ডিভাইস-এ এমন একটি সফটওয়্যার/এপ ইন্সটল করা যেতে পারে যা Spy এর কাজ করেকারন আপনি যখন ফেসবুক-এ Forget Password এ ক্লিক করবেন তখন একটি রিকোভারি কোড আপনার ভিক্টিম এর ফোনে যাবে। সেই কোড-টি আপনি Spy software এর মাধ্যমে জানতে পারবেন। এটি ১০০% কার্যকর পদ্ধতি তবে প্রথমে আপনার ভিক্টিমের ফোনে সেই সফটওয়্যার টি ইন্সটল করতে হবে। অনেক Spy software রয়েছে তার মধ্যে একটি হলো Truth Spyএটি আপনাকে প্রথম সাত দিন ফ্রী ব্যবহার করতে দিবে তারপর সুবিধাগুলো টাকা দিয়ে কিনতে হবে।


#METHOD 2: PHISING
আপনি স্পষ্ট দেখছেন আপনি ফেসবুক এ লগ ইন করছেন কিন্তু সেটা আসল ফেসবুক –এর ওয়েব সাইট নাও হতে পারে !!! দেখতে ফেসবুক কিংবা টার্গেট সাইট এর  মতো তাই আপনার ভিক্টিম একে আসল ওয়েব সাইট মনে করে লগ ইন করলো সাথে সাথে আপনি তার পাসওয়ার্ড পেয়ে গেলেন ,একেই ফিশিং বলে। আপনি আপনার ভিক্টিম কে একটি লিঙ্ক দিলেন আর বললেন এখান থেকে লগ ইন করে তুমি তোমার আইডিটি ভেরিফাই কিংবা ব্লু-ভেরিফাই করতে পারো। এখন আপনার ভিক্টিম যদি সত্যি সেই লিঙ্ক এ গিয়ে লগ ইন করে তবে আপনি তার আইডির ইমেল পাসওয়ার্ড পেতে পারেন। এটাও কাজ করে তবে যদি আপনার ভিক্টিম একটু চালাক হয় তবে সম্ভব না। যাই হোক ফিশিং পেজ মেইক করতে কিংবা এই সুবিধা পেতে Z-Shadowবা Shadow Wave সাইট ব্যবহার করতে পারেন। চাইলে নিজেও তৈরী করতে পারেন তবে তা একটু ঝামেলার।



#METHOD 3: BRUTE FORCE ATTACK
মনে করুন আপনি আপনার ভিক্টিম এর পাসওয়ার্ড জানেন না তবে এটা জানেন যে, পাসওয়ার্ড টি ৬ অক্ষরের, প্রতিটি অক্ষর-ই সেইম যেমনঃ TTTTTT এবং পাসওয়ার্ড এ কোনো সংখ্যা বা বিশেষ কোনো চিহ্ন নেই। এবার চাইলে আপনি পাসওয়ার্ড ক্রেক করতে পারবেন। একটি বিশেষ প্রোগ্রাম ব্যবহার করে তা করতে পারবেন। প্রোগ্রাম টিকে আপনি পাসওয়ার্ড এর বৈশিষ্ট গুলো দেওয়ার পর সে AAAAAA থেকে শুরু করবে যতক্ষন না আসল পাসওয়ার্ড পাচ্ছে (TTTTTT) একেই ব্রুট ফোর্স অ্যাটাক বলে। এটি এখন তেমন কাজের না কারন ফেসবুক-এ ২০ বার এর বেশী ভুল পাসওয়ার্ড দিলে আর লগ ইন করতে দেয় না। এছাড়া এরকম পাসওয়ার্ড খুব কম মানুষ-ই ব্যবহার করে। কাজ টাও অনেক সময় সাপেক্ষের। বড় বড় পাসওয়ার্ড ক্রেক করতে যুগ যুগ সময় কেটে যেতে পারে। আপনি যদি যুগ যুগ অপেক্ষা করতে পারেন তাহলে পারবেন সমস্যা নাই। যদিও কথাটা অবাস্তব।



#METHOD 4: DICTONARRY ATTACK
এটাও ব্রুট ফোর্সের মতো তবে এখানে সুবিধা হলো আপনি চাইলে নিজের পাসওয়ার্ড বুক এড করতে পারবেন। মানে একটি টেক্সট ফাইল এ আপনার ভিক্টিম এর আইডির সম্ভাব্য পাসওয়ার্ড গুলো লিখলেন। এবার আগের মতোই লগ ইন করতে চাইবে তবে এখন আপনার দেওয়া পাসওয়ার্ড গুলো ব্যবহার করবে। এটি ব্রুট ফোর্স এর চাইতে অনেক দ্রুত তবে আগের মতোই ২০ বার এর বেশী ভুল পাসওয়ার্ড দিয়ে লগ ইন করতে চাইলে ফেসবুক আর চেষ্টা করতে দিবে না। তাই কাজ করবে কিনা তা আপনার তৈরী পাসওয়ার্ড বুক এর উপর নির্ভর করে।



#METHOD 5: IDENTITY VERIFICATION
এই পদ্ধতিটা সবচেয়ে বেশী জনপ্রিয়। এখন যে প্রায় দেখা যায় তারকাদের আইডি গুলো হ্যাক হচ্ছে তা এভাবেই করা হয়ে থাকে। ফেসবুক কিছু আইডির জন্য একটি রিকোভারি অপশন রেখেছে যেখানে আপনি ভিক্টিম এর পরিচয় নিশ্চিত করে এমন ডকুমেন্ট সাবমিট দিলে আইডির এক্সেস আপনাকে দিবে। তবে অবশ্যই আপনার সেই ডকুমেন্ট এর সাথে ভিক্টিম এর আইডির নাম , ছবি , এবং জন্ম তারিখ মিল থাকতে হবে। নাহলে হবে না। মূলত আপনাকে ভিক্টিম এর আইডির সাথে মিল রেখে একটি ডকুমেন্ট যেমনঃ পাসপোর্ট, জাতীয় পরিচয় পত্র বানাতে হবে যা হুবহু দেখতে আসল ডকুমেন্ট মনে হয়। তারপর তা সাবমিট করতে হবে। এখানে সবকিছু নির্ভর করছে আপনার বানানো ডকুমেন্ট এর উপর। কেননা ফেসবুক এ যে ডকুমেন্ট দিবেন তা কোনো মানুষ চেক করে না , চেক করে একটি রোবট। তাই চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে সফলতা অবশ্যই পাবেন।


এই ছিল আজকের মেইন অংশ মূলত জনপ্রিয় ৫টি পদ্ধতি নিয়ে কথা বলেছিতবে এ সব কিছুই নির্ভর করে আপনার উপর। আপনি যতো সৃজনশীল ভাবে কাজ গুলো করবেন ততো তাড়াতাড়ি সফলতার কাছে পৌছাবেন। নিজের জ্ঞান দিয়ে অন্যদের থেকে আলাদা করুন আশা রাখি আপনি পারবেন। আমি যা যা আজ বলেছি তা শুধু মাত্র শেখার জন্য বলেছি। এগুলো ব্যবহার করতে গিয়ে কিংবা অনৈতিক কোনো কাজে জড়ীত হয়ে আইনের মুখোমুখী হলে আমি কিংবা এই ব্লগের কেউ দায়ী থাকবো না। আমি শুধু মাত্র শিক্ষনীয় উদ্দেশ্যে শেয়ার করেছি।

আজ এতটুকুই এমনিতেই অনেক বড় হয়েছে পোস্ট টি। আগামীতে প্রত্যেকটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

THANK YOU
KEEP SUPPORTING US
**************


Post a Comment

Share Your Thoughts About This Post. Your Comments Will Inspire Me.

To be published, comments must be reviewed by the administrator *

Previous Post Next Post
Post ADS 1
Post ADS 1